বঁদির গলি থেকে মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বের্নাবেউ স্টেডিয়াম — এই পথটি এমবাপ্পে একা হাঁটেননি। হেঁটেছেন বাবার হাত ধরে, মায়ের সাহস দেওয়া কথায়, কোচের অনুপ্রেরণায়, একটি দেশের ক্রীড়া ব্যবস্থার সহায়তায়। এবং সবকিছু পেয়েও মনে রেখেছেন — যে মানুষগুলো তাকে গড়েছে, যে মাটি থেকে উঠে এসেছেন, সেই মাটি থেকে মুখ ফেরানো যাবে না। মা ফাইজা একবার বলেছিলেন, ছেলে এখন আর রাস্তায় হাঁটতে পারে না। মাঝে মাঝে শুধু গাড়ি নিয়ে বঁদির রিং রোডে ঘুরে আসে — দেখে আসে সেই জায়গাগুলো, যেখানে সে ছিল। এই ছবিটি মনে রাখতে হবে — পৃথিবীর অন্যতম সেরা ফুটবলার রাতের বেলা গাড়ি চালিয়ে পুরনো পাড়ায় ফিরে যান, কারণ সেই গলিগুলো তাকে ছাড়তে পারেন না। কিলিয়ান এমবাপ্পে আমাদের মনে করিয়ে দেন — একটি শহরতলির ছেলেও পৃথিবী বদলাতে পারে। শর্ত একটাই: তাকে সুযোগ দিতে হবে। এবং সে সুযোগ পেলে তার হৃদয় যেন মাটির কাছেই থাকে — পাঁচ লক্ষ ডলার পেয়েও সেটা প্রতিবন্ধী শিশুদের দিয়ে দেওয়ার মতো করে।
মন্তব্য করুন