অনলাইন ডেস্ক
৮ জুলাই ২০২৬, ৫:৫৬ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

জুলাইযোদ্ধা হওয়ার আবেদনের ২০০টিই ভুয়া

জুলাইযোদ্ধা হওয়ার আবেদনের ২০০টিই ভুয়া

অনলাইন ডেস্ক: জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত দাবি করে নতুন করে তিন হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়লেও যাচাই-বাছাইয়ে প্রায় ২০০টি আবেদন সম্পূর্ণ ভুয়া বলে শনাক্ত হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় ৬০০ আবেদনে তথ্যগত অসংগতি, একই ব্যক্তির একাধিক আবেদন এবং শহীদের নামে আহত হিসেবে পুনরায় আবেদনসহ নানা অনিয়ম ধরা পড়েছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

দৈনিক সমকালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট ২,৩৮৮টি আবেদন পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত করে। তদন্ত শেষে ১,৫৯০ জনের তথ্য সঠিক পাওয়া গেছে এবং তাদের জুলাইযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে তিনটি ক্যাটেগরিতে গেজেটভুক্ত জুলাইযোদ্ধার সংখ্যা ১৪,৩৭০।

তবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, এখনো অনেকের আবেদন পাওয়া যাচ্ছে। যাচাই শেষে তথ্যের সত্যতা পাওয়া গেলে তারাও জুলাইযোদ্ধা হিসেবে নথিভুক্ত হবেন। এ ছাড়া কেউ অসত্য তথ্য দিয়ে গেজেটভুক্ত হয়েছেন—এমন তথ্য পাওয়া গেলে তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এর আগে গেজেট প্রকাশ হলে তালিকায় থাকা কিছু নাম নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। ১৩ জন শহীদ ও ২১৯ জন আহত ‘জুলাইযোদ্ধা’র নাম গেজেট থেকে বাতিল করা হয়। নতুন করে এমন বিতর্ক এড়াতেই আবেদনকারীদের তথ্য গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের শুরুর দিকে ‘জুলাই শহীদ ও আহত জুলাইযোদ্ধা’দের গেজেট প্রকাশের পর নতুন করে অনেকেই আহত ‘জুলাইযোদ্ধা’ দাবি করে আবেদন করেন। বিভিন্ন জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরে আবেদন জমা পড়ে।

এর মধ্যে ২ হাজার ৩৮৮ জনের আবেদনের তথ্য মাঠপর্যায়ে যাচাই করেছে এসবি ও পিবিআই। গত বছরের অক্টোবরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জুলাইযোদ্ধাদের তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের তদন্তের অনুরোধ জানায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। নভেম্বরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গোয়েন্দা সংস্থা দুটিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠাতে নির্দেশ দেয়। গত জুন মাসে এসব সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সূত্র উল্লেখ করে সমকাল জানিয়েছে, গেজেট প্রকাশের পর আরো ৩ হাজার ৩১৬ জন আবেদন করেন। এর মধ্যে ২ হাজার ৩৮৮ জনের আবেদন তদন্তে পাঠানো হলে ১ হাজার ৫৯০ জনের তথ্যের সত্যতা পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৭৮৯ জনকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমে (এমআইএস) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আরো ২৭৬ জনের এমআইএসভুক্তির কাজ চলছে এবং ২১০ জনের যাচাই শেষ হয়েছে। সত্যতা পাওয়া বাকি আবেদনগুলোও যাচাই করা হচ্ছে। সত্যতা পাওয়া আবেদনগুলোর এমআইএস সম্পন্ন হওয়ার পর গেজেট প্রকাশ করা হবে।

তবে প্রায় ২০০ জনের আবেদন সরাসরি ভুয়া বলে তদন্তে উঠে এসেছে। বাকি প্রায় ছয় শ আবেদনের মধ্যে দুটি তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনে অমিল, একই ব্যক্তির একাধিক আবেদন, শহীদ হয়েও আহত হিসেবে আবেদন এবং বিভিন্ন তথ্যগত অসংগতি পাওয়া গেছে। এসব আবেদন থেকে আরো এক শ’র মতো আবেদনের সত্যতা মিলতে পারে বলে জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাইযোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, গণঅভ্যুত্থান চলাকালে তৎকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বা ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের হামলায় নিহতদের ‘শহীদ’ এবং আহতদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। জালিয়াতির মাধ্যমে কাউকে শহীদ বা জুলাইযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত করলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড ও দুই লাখ টাকা বা তার বেশি অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিশাখার যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ ফারুক হোসেন বলেন, আবেদনকারীরা সত্যিই জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত হয়েছেন কিনা, তা নিশ্চিত করতেই তদন্ত সংস্থার মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। কোনো ‘ভুয়া জুলাইযোদ্ধা’ যেন গেজেটভুক্ত না হন, সেটি নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে মন্ত্রণালয়।

যেসব কারণে অনেকের আবেদন আটকে গেল
জুলাইযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত হতে গত বছর ১৭ এপ্রিল আবেদন করেন মো. নাছির উদ্দিন (৩৮)। গত শুক্রবার তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ২২ জুলাই উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরের হাউস বিল্ডিং এলাকায় বাঁ-হাতের কনুইয়ে টিয়ারশেল ও লাঠির আঘাতে আহত হন। পরে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেও ভর্তি হননি এবং এ ঘটনায় কোনো মামলাও করেননি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করে আবেদন করেছেন। কেন এখনো গেজেটভুক্ত হননি, তা তিনি জানেন না।

তবে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্দোলনে সম্পৃক্ততার কোনো ছবি বা ভিডিও নাছির দেখাতে পারেননি। শুধু ৫ আগস্ট জাতীয় পতাকা হাতে একটি ছবি দেখিয়েছেন। তিনি উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার ছবি ও ওষুধের প্রেসক্রিপশন জমা দেন। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নাছির ওই হাসপাতালের সহকারী প্লাম্বার হিসেবে কর্মরত। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসাসেবায় অন্যান্য কর্মচারীর মতো তিনিও সহযোগিতা করেন। কিন্তু আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে আহত হয়েছেন বলে কোনো তথ্য-প্রমাণ দিতে পারেননি। এ ছাড়া হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণের সংরক্ষিত নথিপত্রেও তার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

আহত জুলাইযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্তির জন্য মো. রিফাত ইসলাম নামে আরেকজন আবেদন করেন। পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্যমতে, রিফাত আহত হওয়ার ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। তিনি বাঁ হাতে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার যে ছবি দিয়েছেন, সেটিতে মুখাবয়ব স্পষ্ট নয়। কোনো দালিলিক প্রমাণও নেই। আহত হওয়ার পর তিনি কোনো হাসপাতালে চিকিৎসা নেননি। আঘাত পাওয়ার ৮ থেকে ৯ দিন পর একটি ফার্মেসি থেকে চিকিৎসা নেন। তবে সেই ফার্মেসিরও কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া প্রায় এক বছর পর একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে কিছু অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা করান। রিফাতের বিরুদ্ধে একটি মামলায় সাজা ভোগের তথ্যও পেয়েছে পুলিশ।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, রিফাত ছাত্র আন্দোলনে আহত হয়েছেন—এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তিনি অন্য কোনো সময় বা অন্য কোনো কারণে আহত হয়ে থাকতে পারেন।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনে শহীদ হন মো. আরাফাত হুসাইন। গত বছর ১৫ জানুয়ারি মন্ত্রণালয় থেকে জুলাই শহীদদের তালিকার যে গেজেট প্রকাশিত হয় সেখানে ৮২৬ নম্বরে তার নাম অন্তর্ভুক্ত। তবে আরাফাতের নামে আবারও আহত জুলাইযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন করা হয়। তদন্তে এটা স্পষ্ট হওয়ায় আবেদনটি বাতিল হয়েছে।

এর আগে আবেদন যাচাই করতে গিয়ে রাজনৈতিক আবদার, সামাজিক চাপসহ নানা সমস্যার সম্মুখীন হন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। তাই এসবি ও পিবিআই দিয়ে তদন্তের সিদ্ধান্ত হয়। তদন্তে যুক্ত একটি গোয়েন্দা সংস্থা জানায়, নতুন আবেদনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হয়েছে ঢাকা বিভাগ থেকে। বিভাগের ৫৮২টি আবেদনের মধ্যে ঢাকা জেলা থেকে হয়েছে ৩৩৯টি। ময়মনসিংহ বিভাগ থেকে সবচেয়ে কম; পাঁচটি আবেদন করা হয়েছে।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে আবেদনকারীর পরিচয়, ঠিকানা, পেশা, এনআইডি/জন্মনিবন্ধন, আগে গেজেটভুক্ত হওয়ার তথ্য, আহত বা শহীদ দাবির ক্ষেত্রে মামলা ও তার অবস্থা, সাক্ষী, ছবি-ভিডিও, সংবাদ ও অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন। পাশাপাশি হাসপাতালের চিকিৎসাকাল, চিকিৎসাপত্র, চিকিৎসকের বক্তব্য এবং ঘটনার ভিডিও, অডিও, ছবি বা সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার তথ্য যাচাই করেছেন।

জানতে চাইলে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. মোস্তফা কামাল বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে যে তালিকা পাওয়া গেছে সেগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। যাদের আবেদনপত্রের তথ্যে অসংগতি পাওয়া গেছে সেগুলো প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় সেগুলো যাচাই করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।

শহীদের পরিবার ও জুলাইযোদ্ধার সুযোগ সুবিধা
‎মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত সোমবার পর্যন্ত জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ৮৪৩ জন শহীদ এবং অতি গুরুতর আহত (ক শ্রেণি) ৯৯০ জন, গুরুতর আহত (খ শ্রেণি) এক হাজার ৪১৭ ও আহত (গ শ্রেণি) ১১ হাজার ৯৬৩ জন জুলাইযোদ্ধাসহ মোট ১৪ হাজার ৩৭০ জনের গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। স্বীকৃত আহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগের এবং সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগের।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি শহীদ পরিবারকে সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে এককালীন ৩০ লাখ টাকা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে; বাকি ২০ লাখ দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে। এ ছাড়া মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতাও পাচ্ছে পরিবারগুলো। ঢাকায় তাদের জন্য ফ্ল্যাট দেওয়ার একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। আহতদের ক্ষেত্রে ‘ক’ শ্রেণিভুক্তদের এককালীন পাঁচ লাখ ও মাসিক ২০ হাজার, ‘খ’ শ্রেণিভুক্তদের এককালীন তিন লাখ ও মাসিক ১৫ হাজার এবং ‘গ’ শ্রেণিভুক্তদের এক লাখ টাকা এককালীন সহায়তা ও মাসিক ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। তাদের জন্য প্রশিক্ষণ সুবিধাও রয়েছে।

নানা সুযোগ সুবিধা চালুর পর জুলাইযোদ্ধার তালিকা নিয়ে বিতর্কও উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ৫ আগস্টের আগে সড়ক দুর্ঘটনা বা পরে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের নামও তালিকায় এসেছে। নতুন আবেদনকারীদের চাপের কারণে সব আবেদন সরাসরি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সুবিধা পাওয়ার আশায় অনেকেই অন্য কারণে আহত হয়েও তালিকায় নাম তুলতে চেষ্টা করেছেন। তবে এখনও অনেক প্রকৃত জুলাইযোদ্ধা তালিকার বাইরে রয়েছেন। তদন্তে ভুয়া আবেদনকারীদের পাশাপাশি প্রকৃত জুলাইযোদ্ধাদের শনাক্তও সহজ হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, নতুন আবেদনকারীদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে গেজেটভুক্ত করা হবে। গেজেট প্রকাশের পর যেন কোনো বিতর্ক না ওঠে; প্রকৃত জুলাইযোদ্ধারাই যেন গেজেটভুক্ত হতে পারেন, সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

সূত্র: কালের কন্ঠ

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাপলা চত্বর মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় কারাগারে সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী

আরো ২৩ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

পঞ্চগড়ে বিজিবি-বিএসএফের অধিনায়ক পর্যায়ের বৈঠক, সীমান্তে পুশইন ও গুলি বন্ধে গুরুত্ব

পঞ্চগড়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের পাশে প্রধানমন্ত্রীর উপহার

নতুন দায়িত্বে ইশরাক হোসেন

সাইবার আইন আবার সংশোধনের পথে, গুজব-অপতথ্য ছড়ালে হতে পারে ১০ বছরের কারাদণ্ড

জামিন পেলেন ব্যারিস্টার সুমন

হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার, স্বাভাবিক হলো পরিস্থিতি

পণ্য খালাসে জটিলতা, কাস্টমসের বিলম্বে বাড়ছে ব্যবসায়ীদের লোকসান

‘গুলশানের চামেলি’তে মধুমিতার সঙ্গে থাকছেন বাঁধন

১০

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বড় অগ্রগতি, ৩ লাখ শরণার্থী ফিরিয়ে নেবে মিয়ানমার

১১

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১২

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছে ২১ দিনের ছুটি

১৩

পেলে-মেসিকেও ছাড়ালেন ইয়ামাল, ট্রেডিং কার্ডে গড়লেন নতুন বিশ্বরেকর্ড

১৪

ইউক্রেনকে ইরানি জাহাজে হামলার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে: আরাগচি

১৫

সাবেক বনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন ও ছেলের বিরুদ্ধে বদলি-বাণিজ্যের অভিযোগ

১৬

সকাল ৯টার বদলে দুপুরে খোলে কমিউনিটি ক্লিনিক! সেবা বঞ্চিত রোগীদের ক্ষোভ

১৭

ঘুষ না দেওয়ায় ভাতার টাকা ফেরত! স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

১৮

হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারার মধ্যেই থানায় অভিযোগ দিল এনসিপি

১৯

হাসিনাকে ‘কওমি জননী’ উপাধি দেওয়া মুফতি রুহুল আমিন শিক্ষাবোর্ডের সভায়

২০