জনগণের আস্থা ও সমর্থনই বিএনপির রাজনীতির মূল ভিত্তি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণ যতদিন বিএনপির পাশে থাকবে, ততদিন কোনো ষড়যন্ত্র বা বাধা দলটির অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না। দেশের প্রতিটি মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সোমবার (১৩ জুলাই) বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর অশ্বিনী কুমার ইনস্টিটিউট মাঠে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সুবিধাভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নেই সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন তখনই অর্থবহ হবে, যখন সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নত হবে এবং প্রতিটি নাগরিক মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারবেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধৈর্য, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ ও প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবে পরিচিত। তাই ধর্ম, বর্ণ ও মতাদর্শের বিভেদ ভুলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় ঐক্য এবং সামাজিক সম্প্রীতির ভিত্তিতেই একটি মানবিক ও উন্নত রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য দল-মত, ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সবাইকে দেশের উন্নয়নে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে সকাল ১০টায় গৌরনদীর বাটাজোর-সরিকল খাল পুনঃখনন প্রকল্পের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়নের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইব্রাহীম, বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সদস্য সচিব জহির সাজ্জাদ হান্নান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন শরীফ, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব সফিকুর রহমান শরীফ স্বপনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন