গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালানো আব্দুল খালেকের স্ত্রী মাকসুদা আক্তার টুনিকে ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করেছে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্যদিকে, মাদক ও চাঁদাবাজির একাধিক মামলার আসামি আব্দুল খালেক বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টঙ্গীর আমতলী কেরানীরটেক এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় মাকসুদা আক্তার টুনির কাছ থেকে ২৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয়।
রোববার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, গ্রেপ্তার মাকসুদা আক্তার টুনি টঙ্গীর আমতলী কেরানীরটেক এলাকার বাসিন্দা এবং কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুল খালেকের স্ত্রী।
পুলিশের দাবি, আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধেও মাদক-সংক্রান্ত মামলা রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এছাড়া তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগও রয়েছে। মামলার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।
এদিকে স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আব্দুল খালেক নিজেকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাও চালিয়ে আসছিলেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। হোয়াটসঅ্যাপেও তাকে সক্রিয় পাওয়া যায়নি।
টঙ্গী পূর্ব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তুহিন জানান, উদ্ধার হওয়া গাঁজার ঘটনায় মাকসুদা আক্তারের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি তার স্বামী আব্দুল খালেকও মাদক মামলার আসামি এবং তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন