ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার একটি দাখিল মাদ্রাসায় মৃত এক শিক্ষকের ইনডেক্স নম্বর ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে প্রায় ২০ বছর ধরে সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে মো. মহিউদ্দিন নামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে, যিনি উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
মাদ্রাসার সুপার মো. নুরুজ্জামান এ বিষয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, নামের মিলকে কাজে লাগিয়ে মৃত শিক্ষকের ইনডেক্স ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে ২০০৭ সাল থেকে সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০০৬ সালে বিধিবহির্ভূতভাবে শিক্ষক পদে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগও তোলা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মহিউদ্দিন। তাঁর দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁকে হয়রানি করা হচ্ছে। বেতন উত্তোলনে তাঁর কোনো অনিয়ম নেই এবং সংশ্লিষ্ট সব প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সমস্যার সমাধানের নামে মাদ্রাসার সুপার তাঁর কাছ থেকে অর্থ নিয়েছিলেন; পরে সেই অর্থ ফেরত চাইতেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
অন্যদিকে মাদ্রাসার সুপার অর্থ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর বিষয়টি তাঁর নজরে আসে এবং পরে তিনি লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।
এ ঘটনায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। একই সঙ্গে ভোলা জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকেও অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন