চট্টগ্রামের পতেঙ্গা উপকূল ও কর্ণফুলী নদীসংলগ্ন এলাকায় পৃথক অভিযানে ৪৫০ বস্তা ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) সার জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। একই সঙ্গে পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ২৩ জনকে আটক করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে একটি কার্গো বোটও।
শনিবার (১ আগস্ট) সকালে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (৩১ জুলাই) গভীর রাতে পতেঙ্গা বহির্নোঙর এলাকায় অভিযান চালায় কোস্ট গার্ড। এ সময় সন্দেহভাজন দুটি মাছ ধরার ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে পাচারচক্রের ২৩ সদস্যকে আটক করা হয়।
পরে আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পতেঙ্গার ১৫ নম্বর ঘাটসংলগ্ন এলাকায় দ্বিতীয় দফায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে একটি কার্গো বোটে তল্লাশি চালিয়ে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে গোপনে মজুদ রাখা ৪৫০ বস্তা বা ২২ হাজার ৫০০ কেজি ডিএপি সার জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া সারের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে কার্গো বোটে থাকা অন্য পাচারকারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা নিজেদের সংঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক পাচারচক্রের সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। জব্দ করা সার, কার্গো বোট এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পতেঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর ও সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালান এবং সব ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড দমনে কোস্ট গার্ডের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বহাল রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিশেষ অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন