পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়নের নয়াদিঘী এলাকায় দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত একটি সংযোগ সড়ক কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে অন্তত ১০টি পরিবারের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনার প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন ভুক্তভোগীরা।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, উপজেলার ১ নম্বর সাকোয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াদিঘী এলাকার ওই সংযোগ সড়কটি প্রায় ৩০ থেকে ৪০ বছর ধরে স্থানীয়রা ব্যবহার করে আসছেন। সড়কটি নয়াদিঘী-বামনহাট পাকা সড়কের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় প্রতিদিন পায়ে হাঁটা, ভ্যান, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করত।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, স্থানীয় বাসিন্দা মো. শাহ আলম রাস্তার একটি অংশ কেটে দেওয়ায় সংযোগ পথটি সংকুচিত হয়ে গেছে। এর ফলে অন্তত ১০টি পরিবারের যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে ওই পথে ভ্যান ও অটোরিকশা চলাচল করতে না পারায় কৃষিপণ্য পরিবহন, দৈনন্দিন যাতায়াত এবং জরুরি প্রয়োজনে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এলাকাবাসী।
লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, রাস্তার পানি নিষ্কাশনের সুবিধার্থে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে আগে দুটি কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেগুলো অপসারণ করায় বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনে সমস্যা দেখা দেওয়ার পাশাপাশি জলাবদ্ধতার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
অভিযোগকারী মো. শাহীন আলম বলেন, বহু বছর ধরে ব্যবহৃত এই সংযোগ সড়কটি কেটে দেওয়ায় কয়েকটি পরিবারের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। তিনি প্রশাসনের প্রতি দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি তদন্ত এবং রাস্তাটি পুনরায় চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানান।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দেওয়া আবেদনে স্থানীয় বাসিন্দা ইউনুছ আলী, শাহীন আলম, শা আলম, রস্তম আলী, একরামুল, মোজাম্মেল হক, আনোয়ারা বেগম, জামাল, সাঈদ, সাইদুল ইসলাম ও জহির উদ্দিনসহ একাধিক ব্যক্তি স্বাক্ষর করেছেন।
তাদের দাবি, দীর্ঘদিনের জনসাধারণের ব্যবহৃত এই সংযোগ সড়ক দ্রুত পুনরুদ্ধার করে স্বাভাবিক যাতায়াত নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মো. শাহ আলমের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
মন্তব্য করুন